ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্ততি ইংরেজী - Du admission test 2019 English B & D unit - StudyinfoBD.Com - লেখা-পড়া বিষয়ক সকল তথ্য এখানেই

Breaking

Saturday, May 11, 2019

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্ততি ইংরেজী - Du admission test 2019 English B & D unit

আগের পোস্ট বাংলা নিয়ে ছিল- যারা মিস করছ এখানে যাও


এবার আসো ইংরেজি (যেভাবে পড়তে হবে)

এডমিশনে সবচেয়ে কঠিন আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইংরেজী।দেখা যায় প্রতিবছর ৮০%+ ছাত্র ফেল করে ইংলিশে।তার একটা অন্যতন কারন হলো এডমিশনের এই ক্ষুদ্র সময়ে ইংলিশ কিভাবে পড়তে হবে তা না জানা।তাই আজকের পোস্ট ইংলিশ নিয়ে।
হয়তো পোস্টটা অনেক বড় বিস্তারিত লিখতে গিয়ে
কিন্তু পোস্টটা মনোযোগ দিয়ে পড়লে ইংলিশে অনেক
কিছু জানতে পারবে।
অনেকটা এরকম বলা যায়,
ইংলিশে পাশ মানে চান্স নিশ্চিৎ আর ভালো নাম্বার পাওয়া মানে ভালো সাবজেক্ট পাওয়া।
এ সাবজেক্টেই সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হবে।সেইজন্য ১০ ঘন্টা বরাদ্দের ৪ ঘন্টা ইংলিশের পেছনে দিতে হবে অবশ্যই।

এখন ইংলিশকে টি ভাগে ভাগ করতে পারো আর কোনটায় কত সময় দিবে তা হলোঃ

(১)প্যাসেজ/কম্পিহেনশন [২০মিনিট]
(২)গ্রামার [১.৩০ মিনিট]
(৩)ভোকাবুলারি [১.৩০ মিনিট]
(৪)টেক্সট বুক [২০ মিনিট]
(৫)প্রশ্নব্যাংক পর্যালোচনা[২০ মিনিট]
(১)প্যাসেজ/কম্প্রিহেনশনঃ
একটা ইংরেজী প্যাসেজ থাকে।তার থেকে ৪-৬ টা প্রশ্ন থাকে।প্যাসেজের ভেতর থেকেই প্রশ্ন আসে।
তবে সরাসরি প্রশ্ন থাকেনা। একটু ঘুড়িয়ে-পেচিয়ে প্রশ্ন করবে।অনেক সময় উত্তর প্যাসেজের ওয়ার্ডটির সিনোনিম ও এনটোনিম হিসেবে থাকে।
প্যাসেজ ইংলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারন প্যাসেজ ভালোভাবে আনসার করতে পারলে ভালো মার্কস ক্যারি করা যায়।তবে দুঃখজনক সত্য হলো বিভিন্ন কারনে খুব কমই এর সঠিক উত্তর দিতে সক্ষম হয়।
তবে যাদের রিডিং স্কিল ভালো তারা সহজে এর উত্তর করতে পারে।এজন্য ভোকাবুলারির ক্ষেত্রেও ভালো দক্ষতা থাকতে হয়।

★প্যাসেজ আনসারের কিছু টিপসঃ

প্যাসেজ আনসারের ক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত
কিছু টিপস দেওয়া হলো।তোমরা পারলে গ্রহন করতে পারে।
(১)প্রথমে প্যাসেজটা না পড়ে,প্যাসেজের প্রশ্নগুলো পড়বে।প্রশ্নে কি জানতে চায় তার ধারনা নাও আর প্রশ্নের কি(মূল)ওয়ার্ডগুলো মাথায় রাখো।
(২)এবার প্যাসেজটা পড়তে থাকো।পড়ার সময় দেখবে প্রশ্নগুলোর উত্তর প্যাসেজের কোন বাক্যে আছে? প্রশ্নের উত্তর হুবহু পাবেনা।ঘুড়িয়ে পেচিয়ে দেওয়া থাকে বলে মাথাটা একটু খেলাতে হবে।অনেকসময় প্যাসেজের উত্তরের সিনোনিম থাকে অপশনে।এভাবে খেয়াল করেই তুমিই প্রশ্নের উত্তর করতে পারো।
(৩)প্যাসেজে সেরকম দক্ষতা না থাকলে সবার শেষে আনসার করাই বেটার।কারন আগে আনসার করলে অনেকসময় সময়ের অপচয় হতে পারে। তাছাড়া কঠিন বলে প্রথমে এতে মাথা গরম করে ফেললে গ্রামার আনসার করার সময়
সমস্যায় পড়তে পারো ও সময় পর্যাপ্ত না পেতে পারো।
(৪)প্যাসেজে দক্ষতা অর্জনে প্রিভিয়াস প্যাসেজগুলো বিশ্লেষন করতে পারো।
(৫)ইংরেজিতে রিডিল স্কিল বাড়াতে প্রতিদিন একটি ইংরেজী নিউজপেপার পড়তে পারো বা ইংরেজী খবর শুনতে পারো। তবে এটা আবশ্যক না।
(৬)প্রতিদিন কমপক্ষে একটা প্রিভিয়াস ইয়ার সলভ করলে প্যাসেজে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারো।
★কতটুকু সময় পড়বে?
প্রতিদিন একটা প্যাসেজ পড়ার জন্য এই টপিকসের জন্য ২০ মিনিট সময় দিতে পারো।
_______________________________________________
(২)গ্রামারঃ
গ্রামার থেকে প্রতিবছর ৭-৮ প্রশ্ন থাকে।আমার মতে ইংলিশে যে প্রশ্ন আসে তার মধ্যে এটা সবচেয়ে সহজ নাম্বার পেতে।

★গ্রামারের কোন টপিকস থেকে প্রশ্ন আসে?

[থ্রি স্টার(★★★)গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ]
-Right Form of Verb★★★
-Subject verb aagreement★★★
-Tense★★★
-Article★★★
-Causative★★★
-Subjunctive★★★
-Noun★★
-Pronoun★★★
-Verb★★★
-adverb★★
-conditional★
-degree★★
-tag question★
-parallelism★
-Voice★
-Dangling modifiers★
-modal auxiliaries★
-Conditional sentence★
-narration★
-Transformation of sentence★
★কিভাবে পড়বো গ্রামার?
ইংরেজি ভাষাকে একটা সুশৃঙ্খল সিস্টেমে আনার জন্য গ্রামারের সৃষ্টি।
গ্রামার বোঝার জিনিস,মূখস্থের জিনিস না।
আবার বলছি গ্রামার বুঝে পড়ার জিনিস,মূখস্ত
করার জিনিস নয়।যারা মূখস্ত করে তারা কখনো সে গ্রামার প্রেকটিক্যালি কাজে লাগাতে পারবেনা।
#কি কি টপিকস আছে জানলে।এবার কোন বই থেকে পড়ে সেটা নির্দিষ্ট করো।তুমি যদি কৌচিং এর শিট পড়তে চাও তাহলে তাই বা English For Competitive Exam বইটা চাইলেও পারবে বা Toefl Cliff's & Barron's পড়তে পারো।
প্রথমে ঠিক করে নাও কোন বইটা মূলবই হিসেবে পড়বে।যেমন তুৃমি ইংলিশ ফর কমপেটিটিভ এক্সাম বইটা মূল বই হিসেবে রাখলে।এবার বইটা
খুলে একটা নির্দিষ্ট টপিকস পড়তে থাকো।
মাঝে মাঝে একবই/শিট থেকে না বুঝলে অন্যান্য
বই থেকে হেল্প নিতে পারো।
গ্রামারের ক্ষেত্রে সফলতা পেতে হলে যে ধাপগুলো পার হতে হবে,
-যে রুলসটা পড়তেছো,তা ভালোভাবে বুঝতে হবে।
-রুলসটা মাথায় সেট করে নিতে হবে
-এ রুলসের আওতায় যত উদাহরন আছে সব করতে পারার সক্ষমতা অর্জন করতে পারা
-পরীক্ষার প্রশ্নে কোন প্রশ্নটা কোন গ্রামারে পড়বে সেটা ধরতে পারার সক্ষমতা
-প্রশ্নে সেটা প্রয়োগ করতে পারা...
রুলসটা ভালোভাবে বুঝতে পারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।আমি আগেও বলেছি, খুব কম সময়ই
আমরা নিজে নিজে বুঝে চেষ্টা করার আগেই, "দূর,ইংলিশ!!কঠিন, পারবোনা/আমার দ্বারা হবেনা "বলে বসে থাকো বা অন্যের দারস্থ হতে চাও।কিন্তু ইংলিশ গ্রামার মোটেও এত কঠিন না।
রুলসটা মনোযোগ দিয়ে একবার পড়ার চেষ্টা করো।রুলসটা কি জানাতে চাচ্ছে তুমি তা গ্রহন করো।মাথায় সেট করে উদাহরনের সাথে রুলসের লিংক খুজে বের করো।কিসের কারনে কি পরিবর্তন হচ্ছে তা মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষন করো।
এরপর কয়েকবার এ রুলসের আওতাভূক্ত সব উদাহরন বারবার প্রেকটিস করো।ইনশাআল্লাহ আর ভূলবেনা।
#গ্রামার এর রুলস মুখস্থ করার চেয়ে উদাহরনগুলো দিকে বেশি নজর দিতে হবে।আর প্রেকটিস করার সময় সঠিক আনসার জানার পাশাপাশি অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভূল তাও বুঝে নিতে হবে।
অপশনে কোনটা সঠিক জানা যেমন জরুরী তেমনি বাকীগুলো কেন ভূল সেটাও জানা দরকার।ভূল কেন হলো তা বিশ্লেষন করতে
পারলে তুমি গ্রামারে পারফেক্ট সেটা ভাবতেই পারো।
#গ্রামারের জন্য একটা হ্যান্ডনেট বানিয়ে নাও।
যে গ্রামারটা পড়বা সেটাই এড করবা উদাহরনসহ।কোথায় সহজ নিয়মে পেলে সেটা এড করবে।আর এ হ্যান্ডনোটটা কয়েকদিন পর পর রিভিশন দিবা।এরফলে যে সুবিধা হবে;
(১)বিভিন্ন জায়গায় থেকে হিজিবিজিভাবে গ্রামার পড়ার থেকে একজায়গায় সবগুলো রুলসের ভান্ডার থাকবে।
(২)এর ফলে হঠাৎ গ্রামারে সমস্যা হলে দ্রুত খুজে নিয়ে দেখতে পারবে
(৩)হ্যান্ডনোটের গ্রামারগুলো বারবার রিভিশন দিতে দিতে কয়েকদিন পর এমনেই আত্মস্থ হয়ে যাবে।ফলে এগুলা আজীবন মনে থাকবে।
এটা খুবই কার্যকরী, কারন আমি এরকম করে খুবই হেল্প পেয়েছি।
#গ্রামার শেখার সেরা উপায় হচ্ছে "নিজে শেখা"।কৌচিং এর টিচাররা বা প্রাইভেটের স্যাররা সব ভালোভাবে পড়িয়ে শেষ করে ফেলেছে তার চেয়ে বড় কথা হলো তুমি নিজে কি বুঝলে বা পড়লে?
কৌচিং এ প্রাইভেটে স্যাররা যা বলে তা নোট করে রাখবা।না বুঝলে জানতে চাইবা।বাড়িতে এসেই ঔদিনের টপিকসটা আবার খতিয়ে দেখবে।আগাগোড়া সব বুঝার চেষ্টা করবা।সবচেয়ে ভালো হয় যদি টপিকস পড়ানোর আগের দিন একটু চোখ বুলিয়ে যাও..
#এক শ্রেণির ছাত্র আছে যারা গ্রামারে খুবই দুর্বল।পড়লে কিছুই মনে থাকেনা,কিছুই বুঝেনা।
গ্রামারের চিন্তায় ঘুম আসেনা,গ্রামার পড়তে বসলেই ভাবে, "দূর পারিনা,আমার দ্বাড়া কি হবে?"
তাদের আসলে সমস্যা হচ্ছে গোড়ায়।স্কুল,কলেজে ফাকিবাজির ফলে যে গ্যাপ পড়েছে এর ফলে এডমিশনে এসে চোখে সর্ষে ফুল দেখে।কিন্তু সমস্যা হয় তখনি গোড়ায় পরিচর্যার বাদ দিয়ে আগায় পরিচর্যা করতে থাকে।যেমন ;যে Sentence, Person, Tense, Verb,case ভালোভাবে বুঝেনা তাকে যদি প্রথমেই Narration পড়ানো শুরু করেন/পড়েন তাহলে সে কিছুই বুঝবেনা।কারন নেরাশন পড়তে হলে আগে ঔসব জানতে হবে।তার ব্যাসিক গ্রামার জানা নেই।
তাহলে তারা কি করবে?
তাদের ক্ষেত্রে বলব, সর্বশেষ সুযোগ হিসেবে একটা কাজ করতে পারো।একটা ক্লাস সিক্স-সেভেনের গ্রামার গাইড বই থেকে এক্কেবারে প্রথম থেকে শুরু করো।Sentence,subject,object,person,number,Formation of verb,parts of speech,tense,phrase ইত্যাদি ব্যাসিক গ্রামার গুলো ভালোকরে শেষ করো।
এতদিন ফাঁকিবাজির ফলে যে গ্যাপগুলো রয়ে গেছে সেগুলো পূরন করতে প্রত্যেকটা টপিকস প্রথম থেকে বুঝে বুঝে পড়বে।হয়তো অল্পসময় আছে,কিন্তু এখনো প্রতিসেকেন্ড কাজে লাগালে সময় যথেষ্ট।এভাবে গোড়া থেকে পড়লে গোড়াতে উঠলে অনেক উন্নতি দেখতে পাবা,
আর রুলসগুলো বুঝতে সহজ হবে।
#গ্রামারে কোন প্রশ্ন হুবহু রিপিট আসেনা তবে টপিকস রিপিট হয়।
যেমনঃ নিচের ২ টা প্রশ্ন লক্ষ্য করো,
(1)When ____________ here?
a.have you get
b.did you get(ans)
c.you get
d.had you get
(2)Why _________ return the money?
a.you did not
b.you
c.did you not (ans)
d.you didn't
এই প্রশ্ন দুইটি ঢাবির দুইটি বছরে এসেছে,লক্ষ্যে
করলে দেখতে পারবে একই রুলস কিন্তু একটু
ওয়ার্ডগুলো ঘুড়িয়ে এসেছে মাত্র।
প্রশ্নব্যাংকের বিগতসাল ব্যাখ্যাসহ বুঝে পড়লে
অধিকাংশ টপিকসপ্রশ্ন এভাবে কমন পড়বে।তো হেলা না করে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ টা হলেও বিগতসাল সলভ করবে।
#কিছু কিছু গ্রামার আছে যেগুলোর জন্য রুলস জানা লাগেনা,এমনেই স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় কি হবে।
যেমনঃ Subject Verb agreement এর একটা রুলস হলো anybody,someone,anyone,no one, nobody ইত্যাদি থাকলে verb সর্বদা সিংগুলার হয়।
কিন্তু রুলসের হিসাব বাদ দাও তুমি যদি এগুলার বাংলা অর্থ লক্ষ্যে করো তাহলে বুঝতে পারবে ওয়ার্ডগুলো সিংগুলারই।যেমন somene হলো কেউ-একজন।এটার বাংলা অর্থ করলেই জানা যায় এটা সিংগুলার।তাই Verb ও সিংগুলার-ই হবে।
★প্রতিদিন কতটুকু সময় দেওয়া যায়?
১০ ঘন্টার রুটিনে তুৃমি গ্রামারে ১.৩০ মিনিট সময় দিতে পারো।তুমার ইচ্ছেমতো সময় কমাতে বাড়াতে পারো।
_______________________________________________

ভোকাবুলারিঃ®

ভোকাবুলারি হলো শব্দভান্ডার।কথায় আছে,যে যত ভোকাবুলারি জানে সে তত রাজা।ইংরেজি লিখতে,পড়তে,বলতে সবক্ষেত্রেই ভোকাবুলারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
★ভোকাবুলারিতে যেসব টপিকস আছেঃ
-Synonym
-Antonym
-Spelling
-Group verb
-Translation
-Idioms and phrase
-Preposition
★কতটুকু সময় পড়তে হবে?
প্রতিদিন ভোকাবুলারির জন্য কমপক্ষে ১.৩০ ঘন্টা সময় দিবে।
★ভোকাবুলারি পড়ার স্টাইলঃ
তোমাদের একটা সহজ হিসাব দেই।ভোকাবুলারি মাত্র দেড় মাসে শেষ!!
কি অবাক লাগছে? তাহলে দেখো,
সিনোনিম-এনটোনিম ছাড়া বাকি টপিকসগুলা
থেকে ইম্পর্ট্যান্ট ৩০০-৫০০ টা পড়লেই এনাফ।
তো এখন প্রতিদিন প্রতিটা টপিকস থেকে অন্তত ১০ টা করে পড়লে আগামী ৫০ দিনে ৫০০ টা করে পড়া যাবে।আমার মনে হয়না সিনোনিম ও অনটোনিম বাদে বাকি টপিকস থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৫০০ টা করে পড়লে আরো পড়তে হবে।
#অর্থ্যৎ ড্রিল-০১
প্রতিদিনে দেড়ঘন্টায় Spelling, Group verb, Translation, Preposition, idioms & phrase প্রত্যেকটা টপিকস থেকে ১০ টা করে পড়বে।মাত্র ১০ টা করে!! একটা টপিকসের ১০টা পড়তে সময় নিবে ১০ মিনিট করে।তাহলে ৫ টপিকসে ৫০ মিনিট।
#ড্রিল -০২
বাকি Antonym & Synonym পড়ার জন্য প্রতিদিন সময় নিবে ২০মিনিট করে।
এই সময়ে যা পড়তে পারো।
#ড্রিল-০৩
বাকি ২০ মিনিটে গত সপ্তাহে যা পড়ছো তা দ্রুত রিভিশন দাও।
এত সহজে এত কম করেও যদি না পড়তে পারো তাহলে আর কি করার আছে?
তারপর কয়েকদিন অন্তর বারবার রিভিশন দাও।
একমাস পর ভোকাবুলারিতে তোমার অবস্থান দেখে তুমিই বিস্মিত হবে।ভোকাবুলারিতে অসাধারন দক্ষতা চলে আসবে।
এভাবে পড়লে যা লাভ হবেঃ
(১)যেহুতু তুমি একসাথে অনেকগুলো পড়তে বরিং লাগে বা মনে থাকেনা, তো ১০ টা করে পরলে তেমন বরিং লাগার কথা না।
(২)যেইদিন যে টপিকসের যা পড়বা তা ভিন্ন ভিন্ন নোটে সংরক্ষন করবে আর কয়েকদিন পর পর রিভিশন দাও পরীক্ষার আগ পর্যন্ত।একসময়
রিভিশন দিতে দিতে আত্মস্থ হয়ে যাবে।
(৩)একসাথে অনেক শিখার চেয়ে প্রতিদিন অল্প অল্প করে শিখলে মনে থাকে বেশি,বিরক্তি আসেনা।
এভাবে প্রতিদিন পড়লে এক-দেড়মাস পর তুমি জিরো থেকে হিরো হতে পারবে।
★ভোকাবুলারি পড়ার কিছু টিপসঃ
ভোকাবুলারি সবচেয়ে বিরক্তকর ও কঠিন বিষয়।পড়তে খুবই বিরক্ত লাগে,কিছুই মনে থাকেনা।এটা পড়তে ইচ্ছে হয়না।কিন্তু এটা
এড়ানোর কোন পথ নেই।পরীক্ষায় ভালো করতে হলে অবশ্যই ভোকাবুলারি জানতে হবে।ভোকাবুলারি পড়ার কিছু টিপস দেওয়া হলো,
(১)প্রথমে একটা ভালো বই নির্বাচন করো।কৌচিং এর শিট/ইংলিশ ফর কমপেটিটিভ এক্সাম/সাইফুরস স্টুডেন্ট ভোকাবুলারি বা এরকম বিভিন্ন বই আছে সেগুলো থেকে একটা বই প্রথমে ঠিক করো।আমার মতে বিভিন্ন বই থেকে পড়ার চেয়ে প্রথমে একটা মূল বই হিসেবে ধরে সেটার সব শেষ করে তারপর আরো বই পারলে পড়বে।আমি কি পড়ছিলাম জানতে চাইলে বলব আমি ওয়ার্ডমিনিং এর জন্য সাইফুরস স্টুডেন্ট ভোকাবুলারি থেকে আর বাকিগুলা ইংলিশ ফর কমপেটিটিভ থেকে পড়ছিলাম।তবে সব বই কমবেশি ভালো।
(২)পড়ার সময় একটা শব্দ বারবার পড়বা।
সব শেষ করে আবার পুনঃবার রিভিশন দিবা।
ভোকাবুলারি কখনো কেউ একদুইবার পড়ে শিখতে পারেনি,তাই তোমাকেও বারবার পড়েই
আত্মস্থ করতে হবে।তাই বলে বিরক্ত হলে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারবে।ধৈর্য নিয়ে বারবার পড়তে হবে তাহলেই তুমি সফল।
(৩)নিজের এন্ড্রয়েড ফোনটাকে এডমিশনের সময় কাজে লাগানোর সবচেয়ে সেরা জায়গা হলো ডিকশনারী।
"Bangla dictionary" নামে একটা এপস আছে।হঠাৎ কোন অপরিচিত শব্দ দেখলে
এ এপস থেকে দেখে নিবে।
জাভা ফোনে "E2B Dictionary" নামে এপস ইনস্টল করতে পারো।
(৪)নোট খাতা বানাবে।যেগুলা পড়বে সেগুলা লিখে রাখতে চেষ্টা করবে।১ সপ্তাহ অন্তর অন্তর
রিভিশন দিবে।
(৫)মনে মনে না পড়ে অবশ্যই কমবেশি শব্দ করে পড়বে।তাহলে অধিক সময় মনে থাকবে।
(৬)খুব ভোরে ভোকাবুলারি পড়লে মনে থাকে বেশিদিন।
(৭)তাছাড়া গ্রুপের এডমিনরা যে টেকনিকে পোস্ট গুলা দেয় সেগুলো পড়বে।এগুলো পড়তে মজা পাবে এবং অনেকদিন মনে থাকবে।
______________________________________________

টেক্সটবুকঃ

ইংরেজিতে টেক্সটবুক প্রত্যক্ষভাবে গুরুত্ব না থাকলেও পরোক্ষভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
আগে টেক্সটবুক থেকে অনেক প্রশ্ন আসতো।কিন্তু সম্প্রতি তেমন প্রশ্ন আসেনা।
★যা যা প্রশ্ন আসতে পারে?
মূলত এডমিশনে যে ভোকাবুলারি আসে তার অধিকাংশই টেক্সবুক বা টেক্সবুক রিলেটেড।
তাই বি ও ডি উভয় ইউনিটের জন্য অন্তত টেক্সটবুকের ওয়ার্ডমিনিং, আর গুরুত্বপূর্ণ প্রিপজিশন,গ্রুপ ভার্ব,স্পেলিং,ইডিয়ম এন্ড ফ্রেইজ দেখে নিতে পারো।
আগে কবিতা থেকে প্রশ্ন আসতো বা গুরুত্বপূর্ণ লাইন থেকে প্রশ্ন আসতো বি ইউনিটে।এবছর আসে কিনা সিউর বলা যাচ্ছেনা তবে পড়ে রাখতে পারলে ভালো হবে।
★এর জন্য প্রতিদিন ২০ মিনিট সময় নিতে পারো।
★বাজারে টেক্সটবুক রিলেটেড একটা গাইড কিনে সেখান থেকে পড়তে পারো।
_______________________________________________

প্রশ্নব্যাংক পর্যালোচনাঃ

তোমার পরীক্ষা দেওয়ার আগে জানতে হবে কেমনে প্রশ্ন আসে।আর সেটা প্রশ্নব্যাংক দেখে বুঝতে পারবে।এরফলে কোনগুলা বেশি গুরুত্ব দিতে হবে,কোনগুলো না পড়লেও চলবে বুঝতে পারবে।মনে রাখবে, "যার কি প্রশ্ন আসে সে সম্পর্কে ধারনা আছে,তার অর্ধেক বই না পড়লেও চলে।
তাছাড়া প্রশ্নব্যাংক পড়ার আরেকটা লাভ হলো পরীক্ষায় প্রশ্নব্যাংক থেকে প্রায় সেম টু সেম প্রশ্ন না আসলেও একই প্রশ্ন একটু ঘুড়িয়ে পেচিয়ে আসে,যা তোমরা প্রশ্নব্যাংক সলভ করলে সহজেই উত্তর করতে পারবে।
প্রতিদিন ২০ মিনিট করে কমপক্ষে ১ টা বিগত সালের ইংরেজি প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ সলভ করবে।
প্রশ্নব্যাংকে যে টপিকসগুলো থেকে বেশি প্রশ্ন আসে সেগুলোকে গুরুত্ব দিবে।
______________________________________________

ইংলিশ নিয়ে কিছু ওভারঅল সাজেশন্সঃ

(১)বি ও ডি ইউনিটে বেশিরভাগ ফেল করে ইংলিশে। তাই সচেতন হও।
(২)ইংলিশে পাস করে মোটামোটি নাম্বার অর্থ্যৎ ৯+ পেলেই সাবজেক্ট পাওয়া যায় সাধারনত।
কিন্তু প্রতিবছর ইংরেজিতে পাশনাম্বার ৮ পায়না
৮০%+ স্টুডেন্ট।আর অধিকাংশ সাবজেক্ট পেতে ইংলিশে কন্ডিশন লাগে।কি বুঝলে?
(৩)পাশ করার জন্য ইংলিশ পড়লেই চলবেনা,ইংলিশ পড়তে হবে জীবনের জন্য।
কারন পরবর্তী ভার্সিটিতে অধিকাংশই লেকচার, পরীক্ষা ইংলিশে নিবে।
(৪)ইংলিশকে বাঘ নয় যে ভয় পেয়ে না পড়ে পড়ে থাকতে হবে এবং আর একসময় সে আসলেই পরীক্ষার মাঠে বাঘ সত্যি সত্যি রূপান্তরিত হয়।
ইংলিশকে ভালোবাসো,ইংলিশকে সময় দাও,দেখবে ইংলিশও তোমায় ভালোবাসবে।
এক্কেবারে রিয়াল লাইফের ভালোবাসার মত😂
(৫)এডমিশনে মাঝামাঝি সময়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টাই বলে দিবে কে চান্স পাবে আর কে পাবেনা।তাই এই সময়ে অন্য সাবজেক্ট পড় বা না পড় ইংলিশ মাস্ট পড়তে হবে এবং
সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।
(৬)বারবার পরিক্ষা দাও আর নিজেকে যাচাই করে না।আর প্রপার টাইমমেইনটেনিং শিখে নাও।
এককথায়,ইংলিশে ভালো পাওয়া মানে তুমি চান্স পাবে আর ভালো একটা সাবজেক্ট পাওয়া

Post Credit
Department of History Du
Admin at 

No comments:

Post a Comment