ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বি ও ডি ইউনিটের কমপ্লিট গাইডলাইন্স - Du admission test B & D Unit full Guidelines - StudyinfoBD.Com - লেখা-পড়া বিষয়ক সকল তথ্য এখানেই

Breaking

Thursday, May 9, 2019

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বি ও ডি ইউনিটের কমপ্লিট গাইডলাইন্স - Du admission test B & D Unit full Guidelines

বি ও ডি ইউনিটের কমপ্লিট গাইডলাইন্স



এডমিশনের আগে
কিভাবে পড়া গুছিয়ে স্টার্ট করবে?
আগে একটু এই ইউনিটগুলোর requirement গুলো বলে নেই।
বি ইউনিটঃ ssc,hsc দুটো মিলিয়ে ৭.০০ হলেই ফর্ম তোলা যাবে।

ডি ইউনিট ঃ 

√আর্টস - ৭.০০ বাট ssc,hsc তে আলাদাভাবে ৩.০০ পেতে হবে।
√কমার্স _ ৭.৫০ বাট ssc,hsc তে আলাদাভাবে ৩.৫০ থাকতে হবে।
√সাইন্স- ৮.০০ বাট ssc,hsc তে আলাদাভাবে
৩.৫০ থাকতে হবে।
( HSC তে কোনো সাবজেক্টে বি গ্রেডের কম হলে ফর্ম তোলা যাবেনা)

বি+ ডিঃ

আগে ঢাবির বি ও ডি ইউনিটের জন্য একটা প্রশ্নব্যাংক কিনে দেখে নিবা।

বাংলাঃ বি ইউনিটের বাংলা প্রথম পত্রের জন্য ইন্টারের মেইন বইটা খুব ভালো করে রিডিং পড়তে হবে।যদিও এটা পড়া আছে আবারও পড়বা।

পড়ার সময় গদ্যের গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলার ব্যাখ্যা,কবি পরিচিতি, মূলভাব,শব্দার্থ -টিকা,কবিতার লাইনের ব্যাখ্যা,কোন কবিতা কোন ছন্দে লেখা,কোন কবিতায় কয়টি পাখির,গাছের,নদীর নাম আছে,কবিতার কোন লাইনের পরে কোন লাইন,প্রথম লাইন, শেষ লাইন ইত্যাদি খুঁটিনাটি খুব ভালো করে পড়বা। তুমি যে ব্যাখ্যাগুলো পড়বা ওটাই রিটেনের জন্য কাজে লাগবে।
উপন্যাস, নাটক জাস্ট রিডিং পড়বা।
বাংলা ২য় পত্রের জন্য ৯-১০ এর বোর্ড গ্রামার বইটা জাস্ট মুখস্থ করে ফেলবা।
চ্যালেন্জ দিলাম তুমি এই বইটার ওপর যদি ১০০% প্রিপারেশন নিয়ে যেতে পারো গ্রামারে ১ মার্কসও ছুটবে না ইনশাআল্লাহ। আর গ্রামার পড়ার ক্ষেত্রে কিছু বাদ দিবে না কিন্তু। কারণ এটা ভালোভাবে পড়লে একইসাথে রিটেন,অবজেক্টিভ এর প্রিপারেশন হয়ে যাবে।
মনে করো রিটেনে এভাবে আসতে পারে
~গঠন অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার ও কি কি? সংজ্ঞাসহ উদাহরণ দাও।
বা এর থেকেও আরো শর্ট করেও দিতে পারে।
আর বিরচন পার্টটার জন্য তোমার পছন্দের যেকোনো একটা বই কিনে নিও।
( বাংলার জন্য গাইডলাইন্স যা দিলাম এটা বি ও ডি ইউনিট সবার জন্য)

ইংরেজিঃ

বি ইউনিটে যারা আছো ইন্টারের ইংরেজি প্রথম পত্র বইটা রিডিং খুব ভালো করে পড়ে ফেলবা।
পড়ার সময়ে কোন লাইন দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে, ভোকাবুলারি,কবিতাগুলো পারলে মুখস্থ করবা,কবিতার ডিটেইলস পড়বা,প্রথম লাইন-শেষ লাইন এগুলো একটু ভালোভাবে পড়বা।
মনে করো যদি প্রথম পত্র থেকে রিটেন আসে বলে দিতে পারে কবিতার ওমুক লাইন ব্যাখ্যা করো।বলে দিচ্ছি প্রথম পত্রের ভোকাবুলারিগুলো ভালোভাবে পড়লে এটা থেকেই কমন আসার পসিবিলিটি আছে।
এবার আসি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের গ্রামারের জন্য ইংলিশ ফর কম্পিটিটিভ এক্সাম বইটা এনাফ।ওখানে যে যে টপিকগুলো আসে তা সাজানোই আছে।
সো কোনো টপিক বাদ দেয়ার দরকার নেই।
এ বইটা থেকে বিসিএস বা অন্য পরীক্ষার প্রশ্ন পড়ার দরকার নেই শুধু টপিক ওয়াইজ এক্সারসাইজ গুলো পড়লেই হবে।
আর ভোকাবুলারির জন্য যদি কেউ বাড়তি কিছু পড়তে চাও তাহলে ভোকার যেকোনো একটা বই কিনে নিও।
ইংরেজি রিটেনে এমনও আসতে পারে যে তোমাকে একটা টপিক সম্পর্কে কিছু লিখতে বললো।এর বেশি কিছু না।
( ডি ইউনিটের জন্য ইংরেজি মেইন বই পড়তে হবেনা)
আর ইংরেজিতে রিটেনে তারাই এগিয়ে থাকবে যাদের কিনা ইন্সট্যান্ট বানিয়ে লেখার ক্রিয়েটিভিটি আছে।

জিকেঃ

জিকে হলো দু'ধরনের।
একটা হলো বেসিক আর আরেকটা হলো সাম্প্রতিক।
বেসিক পার্টটার জন্য তুমি যেকোনো সিরিজের একটা বই পড়তে পারো। পড়ার সময় একটু ডিটেইলসে পড়বা যেনো কোনো শর্ট রিটেন প্রশ্ন দিলেও পারো।
সাথে ইন্টারের সমাজকর্ম/সমাজবিজ্ঞান, পৌরনীতি,অর্থনীতি, ভুগোল,ইতিহাস/ইসলামের ইতিহাস,আইসিটি মেইন বইগুলো রিডিং পড়ে নিবা।এটা রিটেনের জন্যও কাজে লাগবে আর অবজেক্টিভের জন্য ও।আবারও বলছি এবার যেহেতু প্রথমবার রিটেন সো প্রশ্ন কিন্তু মেইন বই বেসড্ ই হবে।

এবার আসি সাম্প্রতিকে।

সাম্প্রতিকের জন্য তুমি ডেইলি প্রথম আলো পত্রিকা, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সাথে সাম্প্রতিকের জন্য যেকোনো একটা বই পড়তে পারো।
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়ার সময় সাম্প্রতিক ইস্যুগুলোর যে ইডিটোরিয়াল কলামগুলো আছে ওগুলো ভালোভাবে পড়বা যেটা রিটেনের জন্য কাজে আসবে।

দ্যাটস্ অল😎

সবশেষে একটা কথা বলি এডমিশন সিজনে কিন্তু ফ্রী উপদেশ দেয়ার লোকের অভাব নেই।
কোন ফাঁদে পা দিবেনা।
বেশি বই পড়ার দরকার নেই একটা বই পড়বা সেটা বার বার পড়বা।বাজারের বইয়ের থেকে মেইন বইয়ের ওপর ইম্পরট্যান্স বেশি দিবা।
আর যারা কোচিং করবা হুবহু কোচিং ফলো করার দরকার নেই।
জাস্ট ইংরেজিটা কোচিং থেকে ভালোভাবে শিখবা।
আর জিকে, বাংলাটা নিজে প্রিপারেশন নিবা।সাথে কোচিংএ যদি বাড়তি কিছু দেখো সেটা জাস্ট শিখে নিবা।
আর যারা কোচিং করোনা তারা এই গাইডলাইন্সটা ফলো করো।
আজ থেকেই পড়া শুরু করে দাও।

আর যদি জিগ্যেস করো ভাই, ডেইলি কত ঘন্টা পড়বো?

আমি বলবো এডমিশন টাইমে কেউ হিসেব করে পড়তে পারেনা।
মোট কথা হলো কোনো টাইম অপচয় করবা না প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া।
আমার ব্যাক্তিগত একটা পড়ার স্টাইল শেয়ার করি ভালো লাগলে ফলো করতে পারো।
সেটা হচ্ছে একটা একটা করে বই শেষ করবা দিন ভাগ করে নিয়ে।আর ডেইলি সকালে ভোকাবুলারি পড়বা।
যারা কোচিং করো ডেইলির ইংরেজি শিটটা ফিক্সড একটা টাইম করে পড়ে নিবা।
যাইহোক আজ এ পর্যন্তই। গাইডলাইন্স তো অনেক হলো এবার পড়া স্টার্ট করো।
সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা 
Post Credit 
HM Mahiuddin,
IER,DU,3rd year.

No comments:

Post a Comment