Breaking

Wednesday, May 15, 2019

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্ততি সাধারণ জ্ঞান - Du admission test b & d unit

আগের পোস্ট যারা মিছ করছ দেখে নাও


বাংলা যেভাবে পড়বা এখানে যাও


সাধারণ জ্ঞান (যেভাবে পড়বে)


বাংলায় বলে সাধারণ জ্ঞান, ইংলিশে General
Knowledge সংক্ষেপে জিকে (GK)।
এডমিশনে সাধারণত যে বিষয়গুলোতে পরীক্ষা দেওয়া হয় তার সবগুলোই স্কুল-কলেজে তোমরা পড়ে এসেছো,কিন্তু একমাত্র জিকে বিষয়টা নতুন।তাই বলে চিন্তা করার কিছু নেই।
এডমিশন টেস্টে বি ও ডি ইউনিটে যে পরীক্ষা হয় সেই পরীক্ষায় সবচেয়ে সহজে বেশি নাম্বার তোলার সাবজেক্ট হলো সাধারণ জ্ঞান।
ইংলিশ ও বাংলার মত এত কঠিন প্রশ্ন আসেনা।
তাছাড়া এ অংশে তেমন কেউ ফেল করেনা।
তাছাড়া গত দু-এক বছরে কঠিন প্রশ্নের বদলে ব্যাসিক প্রশ্নগুলো বেশি করা হয়।
★ঢাবির বি ও ডি ইউনিটে সাধারন জ্ঞান আসে।
★সাধারণ জ্ঞান থেকে মূলত দুইটি বিভাগ থেকে প্রশ্ন আসে।

[১]বাংলাদেশ বিষয়াবলী অংশ।

[২]আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী অংশ
এই দুইটি অংশের আবার দুইটি শাখা আছে।
(১)সাম্প্রতিক তথ্য
(২)মৌলিক বিষয়সমূহ
এই দুইটি শাখা আলাদা কিছু নয় বরং উপরের মূল দুইটা বিভাগের মধ্যেই এদের অবস্থান।অর্থ্যৎ
সাম্প্রতিক তথ্য ও মৌলিক বিষয়সমূহ থেকে আসা প্রশ্নগুলো বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অংশের সাথেই সম্পর্কিত।
★মানবন্টনঃ
প্রতিটি বিভাগ থেকে ২৫ টা করে মোট ৫০ টা প্রশ্ন আসবে।৫০ টি প্রশ্নের মোট নম্বর ৬০।তাহলে
প্রত্যেকটি সঠিক উত্তরের জন্য পাবে ৬০÷৫০=১.২০ নম্বর।আর ভূল উত্তর দিলে .৩০ মাইনাস মার্ক হবে।
আর জিকেতে পাসমার্ক মাত্র হলো ৮+৮=১৬।
তবে চান্স পেতে হলে আরো বেশি হতে হবে।

★সাধারন জ্ঞান ভর্তি পরীক্ষায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

-------------------------------------
ইংলিশে ও বাংলায় পাশ করাটা যতটা কঠিন কিন্তু সাধারন জ্ঞানে পাশ করা তত সহজ।
১৬ তে পাস বলে ফেল করে না তেমন কেউ।তবে পাশ করলেই শুধু হবেনা।এডমিশনে মূলত সাধারন জ্ঞানের গুরুত্বগুলো হলো.....
(১)সাধারন জ্ঞান মূলত এডমিশন রেজাল্টের পজিশন/সিরিয়াল আগানোর গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগে।সাধারন জ্ঞানে যেহেতু ৬০ মার্ক সুতরাং একটুভালো করে পড়লেই অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকা যায়।
(২)সাধারন জ্ঞানে ভালো করে পজিশন আগাতে পারলে মনের মত সাবজেক্টগুলা পাওয়া যায়।তবে সেই ক্ষেত্রে সাবজেক্ট গুলোর ওপর আরোপিত শর্ত(কন্ডিশন) অবশ্যই পূরন হবে।
যেমন বি ইউনিটে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাবজেক্ট পেতে হলে কন্ডিশন হিসেবে কমপক্ষে ইংরেজিতে ১৩ আর বাংলায় ১২ পেতে হয়।আর সেই জন্য পজিশন/সিরিয়াল ৫৫০ এর মধ্যে থাকতে হবে।
এখন তুমি ইংরেজিতে ১৩ ও বাংলাতে ঠিকত ১২ পেলে কিন্তু সাধারন জ্ঞানে খারাপ করায় সিরিয়াল ৫৫০ এর বাইরে চলে গেলে সাধারনত এই সাবজেক্ট পাবেনা।
সুতরাং এ কথাটা বলা যায়, একটা ভালো সাবজেক্ট পেতে কন্ডিশনের জন্য ইংরেজি ও বাংলা গুরুত্বপূর্ণ আর ঔই সাবজেক্টের আসন শেষ হওয়ার আগেই পেতে সিরিয়াল ভালো রাখতে হয়,আর সিরিয়াল ভালো রাখতে সাধারন জ্ঞানে ভালো করতে হয়।

★জিকে থেকে প্রশ্ন আসার টপিকস

----------------------------
এই টপিকসগুলো ভালো করে পড়লেই
ঢাবিসহ বাংলাদেশের যেকোনো পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন কমন পড়বে।
এইজন্য সবগুলো টপিকস টাচড করতে হবে।
[3 stars are more important]
💜বাংলাদেশ বিষয়াবলী
★★সংক্ষেপে বাংলাদেশ
★জনসংখ্যা
★★★উপজাতি
★★জাতীয় দিবসসমূহ
★চুক্তি
★আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ
★★★ভৌগোলিক তথ্য
★নদ-নদী
★দ্বীপ
★পাহাড়-পর্বত-পর্বতমালা
★বন
★বিভিন্ন স্থানের পুরাতন নাম
★★★সীমানা
★ছিটমহল
★ প্রশাসনিক বিষয়াবলী
★★সংসদ
★★★সংবিধান
★★প্রশাসন
★★★অর্থনীতি
★★★বাজেট
★শিল্প
★খনিজ সম্পদ
★কৃষি ও কৃষিজ সম্পদ
★বন্দর
★★★বাংলার ইতিহাস:প্রাচীন ইতিহাস
★★★বাংলার ইতিহাস: ইউরোপীয়দের আগমন ও বৃটিশ আমল
★★★বাংলার ইতিহাস: পাকিস্তান আমল
★★★বাংলার ইতিহাস: মুক্তিযুদ্ধ
★★★বিভিন্ন স্থানের পুরাতন/প্রাচীন নাম
★★★ঐতিহাসিক স্থানসমূহ
★যোগাযোগ ব্যবস্থা
★ডাক ও টেলিযোগাযোগ
★গণমাধ্যম (রেডিও ও টেলিভিশন)
★যোগাযোগ ব্যবস্থা
★★★সাহিত্য-সংস্কৃতি
★বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
★গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র ও সাহিত্যপত্রিকা
★★ভাস্কর্য
★★বিখ্যাত বই
★চলচ্চিত্র
★★বিখ্যাত চিত্রকর্ম
★★★ঐতিহাসিক, গুরুত্বপূর্ণ ও বিখ্যাত স্থান
★ঢাকা শহর
★★★ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
★★★খেলাধুলা
★★বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ইন্সটিটউট
💜আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
★★★সংক্ষেপে পৃথিবী
★★বিভিন্ন দেশের রাজধানী
★পার্লামেন্ট
★বিভিন্ন দেশের মুদ্রা
★★★পূর্বনাম
★বিভিন্ন দেশের জাতীয় প্রতীক
★★★আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ
★★★বিভিন্ন দেশের উপজাতি/ আদিবাসী
★★ভৌগোলিক বিষয়াবলী
★★★ভৌগোলিক উপনাম
★সীমান্ত
★★★বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, স্থাপনা, শহর, বন্দর ও রুট
★প্রণালী
★★বিশ্ব রাজনীতি
★★★জাতিসংঘ
★★★আন্তর্জাতিক সংস্থা, সংগঠন ও জোট
★★আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সদর দপ্তর
★আন্তর্জাতিক সম্মেলন
★★আন্তর্জাতিক চুক্তি
★পারমাণবিক তথ্য
★★★বিভিন্ন দেশের গেরিলা ও অন্যান্য সংগঠন
★★সামরিক অপারেশন
★আন্তর্জাতিক কেলেংকারি
★★★বিশ্ব ইতিহাস
★★★গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধসমূহ
★সাবেক উপনিবেশ
★★সাহিত্য-সংস্কৃতি
★★নোবেল পুরস্কার
★অস্কার
★★অন্যান্য পুরস্কার
★বিখ্যাত বই
★বিখ্যাত চলচ্চিত্র
★★★বিখ্যাত চিত্রকর্ম
★★বিখ্যাত ভাস্কর্য
★★★জনক ও প্রবক্তা
★★★বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
★মহাশূণ্য অভিযান
★★গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ও আবিষ্কারক
★অর্থনীতি
★abbreviation
★★★বিখ্যাত ব্যক্তি
★উক্তি
💜প্ল্যানিং
---------
যেকোনো কাজ প্ল্যানিং করে শুরু করলে সেই কাজ কম সময়ে,কম পরিশ্রমে, সুশৃঙ্খলভাবে শেষ করা যায়। তেমনি জিকে অল্পসময়ের মধ্যে ভালোভাবে শেষ করতে হলে প্ল্যান করে বসতে হবে।প্ল্যানিংগুলো হলো:
(১)প্রথমে প্রশ্নব্যাংক কিনে বিগত সালের প্রশ্নগুলো দেখো।এতে করে প্রশ্নের ধরন বুঝতে পারবে।ফলে বই পরার সময় তুমি নিজেই বুঝতে পারবা এটা আসার মত আর এটা স্কিপ করলেও সমস্যা হবেনা।
তাছাড়া বিগত সালের প্রশ্ন পরীক্ষায় অনেক কমন পড়ে। এক ঢিলে দুই পাখি আরকি!!
(২)প্রথমে কয়টা টপিকস পড়বে তা নির্দিষ্ট করে নাও। তারপর প্রতিদিন কয়টা টপিকস পড়বা এটাও নির্দিষ্ট করো।এটা ডিপেন্ড করে তোমার মেধা,পড়ার গতির ওপর।
(৪)যেগুলো পড়বা সপ্তাহশেষে নির্দিষ্ট দিনে সেগুলা কমপক্ষে কর একবার রিভাইস দিবা।
(৫)দুইভাবে পড়তে পারো,
[১]একদিন বাংলাদেশ অংশ পড়বা আরেকদিন
আন্তঃজাতিক অংশ পড়বা।
[২]অথবা একদিনে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অংশ ভাগ করে পড়তে পারো।

★সাধারন জ্ঞান পড়ার কৌশলসমূহ

--------------------------------
জিকে সাধারনত মুখস্তবিদ্যা বলা হলেও আমার
কাছে জিকে দীর্ঘদিন প্র্যাকটিস করে বুঝে বুঝে
আত্মস্থ করার বিষয়।জিকে সাধারনত সারাদিন
পড়লেও যদি কৌশলগত ভাবে না পড়া হয়কোন লাভ হবেনা।
★প্রথমে একটা টপিকস নির্দিষ্ট করো কি পড়বে।একটা বই থেকে পড়বে।একবার না ২-৩ বার পড়বা।তারপর তার থেকে আসা বিগত সালের প্রশ্ন গুলো পড়বা।
(১)পূর্বেও উল্লেখ করা হইছে যে বিগত সাল থেকে
অনেক প্রশ্ন রিপিট হয়।তাই প্রশ্নব্যাংক থেকে বিগত
১০-১৫ বছরের প্রশ্ন সলভ করতে পারলে অনেক
প্রশ্ন কমন পাবে।
(২)একটা টপিকস পড়ার সময় মুখস্থ করার আগে বিষয়টা বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করবা।পারলে পড়ার সময় বিষয়টা অন্তরদৃষ্টিতে সচিত্র দৃশ্যতে আনতে চেষ্টা করবা।তাহলে অনেকদিন মনে থাকবে।
(৩)ইতিহাস পড়ার ক্ষেত্রে কোন ঘটনার পর
কোন ঘটনা আসছে তা লক্ষ রাখবা।
(৪)পড়ার সময় কঠিন ও অপরিচিত তথ্যগুলো
খাতায় বার বার লিখবা।
(৫)প্রত্যেক টপিকস পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ন তথ্যগুলো একটা নোট খাতায় লিখবা।পরে সময়ে সময়ে সেগুলো রিভাইস দিবা।
(৬)পড়ার টেবিলের সামনে বাংলাদেশ ও পৃথিবীর মানচিত্র টা টানিয়ে দিবে।ভৌগোলিক বিষয়ক জিকে পড়ার সময় স্থানগুলোর অবস্থিতি মানচিত্রে দেখে নিলে মনে থাকবে অনেকদিন।মানচিত্র রিলেটেড প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ১০-১৫ টা প্রশ্ন আসেই।

Post Credit

Department of History Du
Admin at 
Join Group For Du Admission Test Preparation 

No comments:

Post a Comment