বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পর্দা - পাপ-পূণ্যের দৃষ্টিভঙ্গিতে পর্দার মুল্য - StudyinfoBD.Com - লেখা-পড়া বিষয়ক সকল তথ্য এখানেই

Breaking

Sunday, March 22, 2020

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পর্দা - পাপ-পূণ্যের দৃষ্টিভঙ্গিতে পর্দার মুল্য


যে সমস্ত নারি অবাধে চলাচল করে , তাদরেকে দাইয়ূছ বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন। দাইয়ূছ বেহেশতে প্রবেশ করবে না। মানুষের সভাব হচ্ছে পাপের কাজ করলে মনে শান্তি আসে। যে মেয়েলোক শত শত মানুষের মনে আগুণ জ্বালায়, নিজে বেপর্দা চলা ফেরা করে , তাদের অগ্নি জমা হয়ে তাকে কবরে, হাশরে জ্বলিয়ে পুড়িয়ে মারবে। এটা তো সোজা কথা , আপনার দ্বারা যত লোক আঘাত পাবে, সে তো বেশি পাপী হবেন। মানুষকে দেহে আঘাত করলে তা সেরে যায়, টাকা জরিমানা করলে তা পূরণ হয়ে যায় কিন্তু মনে যাদি কাকেও কেউ দিয়ে যায়, তবে সে আঘাতের সঙ্গে দৈহিক আঘাতের তুলনা হয় না এবং সম্মানী লোকের কাছে মনের দংশন সাপের দংশনের চেয়েও বেশি বিষময় ্ সে সব নারী বেপর্দা চলে, তারা হক্কুল এবাদত নষ্ট করে। আপরের হক ন্ষ্ট করলে আল্লাহও তা মাফ করবেন না। আপনি যদি কাউকে মনে কষ্ট দেন. আর সে ব্যক্তি যদি মফ না করে তবে আল্লহ নিজেও মাফ করবেন না। এবং এ আঘাতের বিনিময়ে আখেরাতে আপনার নিকট থেকে আপনার বহু বছরের বন্দেগী কেটে নিয়ে তাকে দেওয়া হবে। যদি আপনার বন্দেগী না থাকে হবে তার জাহান্নামের পরওয়ানা  আপনার গলায় ‍ঝুলিয়ে দেয়া হবে। যে সব মেয়ে তাদের বেপর্দার কারণে তাদের রূপ মানুষকে দেখায় অথচ যারা দেখে তারা সবাই তাকে পেতে পারে না, তাদের অবস্থা এই যে, তারা খোদার সৃষ্টিকে কষ্ট দিচ্ছে। বেপর্দার পক্ষে যত যুক্তিই দেয়া যাক মানূষকে কষ্ট দেয়ার এ যুক্তিটি কি করে এড়ানো যাবে? কেউ বলবে, পুরুষরা তাকায় কেন? এটা পুরুষের দুষ নায়, এটা প্রকৃতির নিয়ম। চোখের সামনে কিচু পড়ল চোখ সেদিকে তাকাবেই । যেমন – পানিতে নামরে পানি শরীলে লাগবেই। মেনে নিলাম, পুরুষেরা নিচের দিকে তাকিয়ে থাকবে। কি ঠেকা পড়েছে পুরুষের ? বাঘের পথে পথে কোন ভেড়া যদি ঘুরতে থাকে এবং ব্যেল ওহে বাঘ তোমরা কেন মোচ তাওয়াও , চোখ নিচু কের থাকতে পার না? আমাদের কি বেড়ানোর সাধ নেই? এ অবস্থায় বাঘের কি করতে হয়? কেউ বলবে, পুরুষ অত হীন-প্রবৃত্তির নয়। বেশতো একটি রাখার ছেলে রাতের বেলা নিরালা প্রান্তরে গরুকে শিশিরের ঘাস খাওয়ায় এবং মনের সুখে গান গায় কিন্তু পাচ জন মন্ত্রীর এ বিবিরাই স্ত্রী-পুরুষের সমান অধিকারের দাবী নিয়ে রমনা মাঠে সভা করে। এতে কি বোঝা যায়, রাতে যখন কোন নারী একা বেড়াতে ভয় পায়, তখন সে নিশ্চয় বুঝে থাকে যে, দিনে দুপুরে পুরূষরা আসলে ভাল হয় না, বরং নানা সুযোগের অভাবে নারীর অবাধ চলাকে বরদাশত করে, সভ্যতায় নারীকে কিছুই বলে না্ । রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন বলেছেন, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসীই স্ত্রীলোক এবং ধনীলোক যদি সে মেয়েলোক বাহাত্তুরে হয় এবং সে ধনী লোক আল্লাহর পথে ধন ব্যয় না করে।

নারীদের যে অঙ্গে পুরুষেরা দেখে থাকে, দেখার সঙ্গে সঙ্গে ঐ অঙ্গের সঙ্গে পুরুষের জেনা হয়ে যায়। জেনা যে করে, সে অসতী। তাহলে বেপর্দা নারী যতই সাবধানে চলুক, সে ধর্মের পরিভায়ায় অসতী এবং অসতীদের এবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না হবারই সম্বাবনা্ তাছাড়া যারা বেপর্দা চলে, তারা আল্লাহর এবং আল্লাহর রাসুলের হুজুমেরই পরোয়া করে না।

সুতরাং তারা কেমন করে স্বামীর বাধ্য হবে? যে সব মেয়ে আল্লাহর হুকুম মানে না এবং বেপর্দায় থাকাকে কিছুই মনে করে না, তারা শত ধর্ম করুক তাদের এ ধর্ম করাটা মনের বিলাস ছাড়া কিছুই না। বেপর্দা নারীর মন ধীরে ধীরে এত কঠিন হয়ে যায় যে, সে তার স্বামীকে খুন করতে পার্। অন্তত আদর্শ স্ত্রী তো সে কখনও হতে পারে না। অবশ্য আদর্শ হেসেবে সকল স্বামী্‌ই তো মনে করেন। আমার বিবি িশত অবাধ্য হলেও একটা আদর্শ স্ত্রী বটে। তা বটে, তবে নারীরা যে পুরুষকে কি দিতে পারে তা নারী নিজেও জানে না। বেপর্দা নারী কখনও পুর্ণ স্ত্রী হাবার গুণ অর্জন করতে পারবে না।
যদি নারী বেপর্দায় চলে এবং তার স্বামী তাকে অসন্তুষ্ট থাকে তাহলে, তার কোন এবাদত কবুল হবে না। হাদিস শরীফে আছে যতক্ষণ স্বামী তার স্ত্রীর উপরে নারাজ থাকে ততক্ষণ ঐ স্ত্রীর এবাদত তার মাথার একহাত উর্ধে উঠে না অর্থ্যাৎ স্বামী অসন্তুষ্ট থাকরে স্ত্রীর কোন বন্দেগী্ আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না ।




মুল লেখক
কুতুব উল আকতাব অধ্যাপক (অবঃ) আলহাজ্জ হযরত মাওলানা 
মোহাম্মদ আযহারুল ইসলাম সিদ্দিকী সাহেব (রহঃ)
বি.এ (অনার্স), এম.এ, এফ.এম,এল,এল,বি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) পীর সাহেব, মানিকগঞ্জ

No comments:

Post a Comment