বেপর্দা নারীর আর একটি পরিণতি - islamic tips - StudyinfoBD.Com - লেখা-পড়া বিষয়ক সকল তথ্য এখানেই

Breaking

Friday, April 3, 2020

বেপর্দা নারীর আর একটি পরিণতি - islamic tips


 
বেপর্দা নারীর আর একটি পরিণতি




শাস্ত্রে বলে মানুষের চোখে সাপের বিষ। ধর্মেও আছে চোখে চোখে চোখের জিনা হয়। যখন কোন মানুষ কোন জিনিসের উপরে কু-নজর করে, সে জিনিসটা স্বাভাবিক অবস্থার বিকৃতি ঘটে। এজন্য হাট থেকে মাছ কিনে ঢেকে নিয়ে যেতে হয়। শস্যক্ষেত্রে ভাল ফসল হলে, একটি হাড়ি-পাতিল খাড়া করে ক্ষেতে ঝুলিয়ে দিতে হয়। যাতে মানুষের কু-নজর ওটার ওপরে না পড়ে সশ্য বেচে যায়।

সাধারণত নারীর দিকেই পুরুষের মনোযোগ দিয়ে চক্ষু তীর্যক করে দেখে থাকে। এতে নারীর দেহাবরণ ভেদ করে পুরুষ চক্ষু নারীর বিভিন্ন অঙ্গে নজর ঠেকে।এ কু-দৃষ্টির প্রভাবে নারীর সুন্দর দেব স্লান হয়ে আসে এবং মুখের লাবণ্য হারায়। তাছাড়া তার দেহ নানা ব্যাধি আশ্রয় নেয় এবং বিশেষ করে প্রসবকালে কল্পনাতীত কষ্ট হয়ে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, সুন্দরী মেয়েরাই পীড়ায় এবং প্রসবে বেশি কষ্ট করে থাকে। সুন্দরী মেয়েরাই স্বামীকে একটু বেশি অবহেলা করে থাকে। সুন্দরী স্ত্রী আর বিষধর অজগর সাপ প্রায় একই সামান, যদি আবৃত রাখা না যায়।

বেপর্দা স্ত্রীর সন্তনেরা পরোক্ষভাবে বহু পিতার আংশিক সন্তান, এটা খুব ভেবে দেখার বিষয়। অনেকে বলতে পারেন নারীর দিকে তাকালে তার সুন্দর নষ্ট হবে কেন? দেখুন চোখ আল্লাহ পাক কি ক্ষমতা দিয়েছেন। টিকটিকি জাতীয় এক প্রকার প্রাণী আছে এদেশের জঙ্গলে থাকে। তাকে বলে রক্ত চোষা। রক্তচোষার সামনে মানুষ পড়লে দুরে থেকে প্রাণীটি মানুষের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে এবং মানুষের দেহ থেকে রক্তের লোহিত কণিকা দৃষ্টির সাহায্যে শোষণ করতে থাকে। দেখতে দেখতে রক্তচোষাটির মুখ লাল টকটকে হয়ে যায়্।সামান্য একটা রক্তচোষা যদি দূর থেকে দৃষ্টির সাহায্যে মানব দেহের রক্ত চোষে নিতে পারে, তবে মানুষের চোখে কি দূর থেকে নারীর সুন্দরর্য চুষে নিতে পারে না? নারীর দিকে বেশি পুরুষ তাকালে তার চেহারা রুঠা হয়ে যাবে। মাটি খুড়ে কচ্ছপ ডিম পাড়ে নালা বা পুকুরের পারে। তা মাটি দিয়ে ঢেকে চলে যায় পানিতে। তার পর পানি থেকে নজর করে ডিমের দিকে । তার নজর মাটি ভেদ করে ডিমের উপর গিয়ে পড়ে এবং দৃষ্টির তেজে মাটির নীচে ডিমের মুখ ফেটে বাচ্চা বেরিয়ে পানিতে নেমে যায়। সামান্য একটা কচ্ছপের দৃষ্টিতে যদি এত তেজ থাকে এবং এত ক্রিয়া থাকে যে, তা মাটি ভেদ করে ডিমে লাগে, তবে মানুষের দৃষ্টি কি নারীর ভিতর পযর্ন্ত প্রবেশ করে নারীর উপরে একটা প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে না?

 পুরুষদুষ্টির তীব্রতা এবং শোষণশক্তি যদি নাই থাকবে তবে নারী-পুরুষ এক দৃষ্টিতে আকর্ষণে পড়ে কেন? আল্লাহ বলেছেন, হে বিশ্বাসী নর-নারী তোমাদের দৃষ্টিকে নিচের দিকে রাখ।
যে নারী অবাধ চলাফেরা করে সে শুধু তার স্বামী বা তার নিজের সর্বনাশ করে না। তার চলাচলের প্রতিফলন তার মন এবং তার মাধ্যমে তার ভবিষ্যত বংশধরের উপরে প্রত্যেক্ষ এবং পরোক্ষ উভয় ভাবেই পড়ে। এরকম একটা নারীর কারণে একটা জাতি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 

যেমন- হেলেনের জন্য ট্রয়নগরী একটা দেশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। একটা বেপর্দা নারী সমাজের যত সর্বনাশ করতে পারে এক লক্ষ প্রেসিডেন্ট একত্র হয়েও দেশের এত মঙ্গল সাধন করতে পারে না।


                                                 মুল লেখা- বই- বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পর্দা

No comments:

Post a Comment